188
Sharesচ্যানেল আই সেরাকন্ঠ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সংগীতাঙ্গনে পথ চলা শুরু হয়েছিলে হাল সময়ের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ইমরান মাহমুদুলের। এরপর আর থেমে থাকতে হয়নি। একের পর এক শ্রোতাপ্রিয় গান তিনি দিয়ে গেছেন গত এক দশকে। গাওয়ার পাশাপাশি তার সুর ও সংগীত পরিচালনায় অনেক শিল্পীর গানও পায় শ্রোতাপ্রিয়তা।
এরমধ্যে নিজের গানের স্বীকৃতি স্বরুপ অনেক পুরস্কারই জিতেছেন ইমরান। তবে এবার মর্যাদাকর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতলেন তিনি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ২০২০-এ একসঙ্গে দুটি বিভাগে পুরস্কার জিতেছেন এই গায়ক। এতে শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হওয়া সিনেমা ‘বিশ্বসুন্দরী’র গানের জন্য গায়ক ও সুরকার বিভাগে দুটি পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এর সেরা শিল্পী ও সুরকার হয়েছেন।
কেমন লাগছে? ইমরান বলেন, আমি অনেক আনন্দিত। আবেগ আপ্লুত। এই অনুভূতিটা প্রকাশের আসলে ভাষা হয় না। আমার মা ও পরিবারের সবাই অনেক আনন্দিত। বাবা বেঁচে থাকলে তিনিও হয়তো অমাকে নিয়ে গর্ব করতেন। তবে আমি জানি তিনি আমার এই প্রাপ্তি অবশ্যই দেখছেন ও দোয়া করছেন।
ইমরান আরও বলেন, প্রথমবারের মতো ‘তুই কি আমার হবি রে’ গানটির জন্য শ্রেষ্ঠ সংগীতশিল্পী এবং শ্রেষ্ঠ সুরকার হিসেবে দুটি জাতীয় চলচিত্র পুরস্কার পাচ্ছি। এটা আল্লাহর অশেষ রহমত। এ পর্যন্ত পাওয়া প্রতিটি পুরস্কারই আমার কাছে দামি। তবে এবারের প্রাপ্তিটা পুরোটাই অন্যরকম। আমরা যারা কাজ করি তাদের কাছে জাতীয় পুরস্কার পাওয়াটা স্বপ্নের বিষয়। সেই স্বপ্নটা পূরণ হয়েছে। এবার কি তাহলে চাপটা আরও বেশি থাকবে কাজের ক্ষেত্রে।
ইমরান বলেন, চাপ বলবো না। তবে জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্তিতে দায়িত্বটা আরও বেড়ে গেলো। আমিও চেষ্টা করবো শ্রোতাদের প্রত্যাশা পূরণের। ভালো ভালো গান উপহার দেয়ার চেষ্টাটা থাকবে। ভিন্ন প্রসঙ্গে আসি। নতুন গানের কি খবর? এ গায়ক বলেন, এরইমধ্যে বেশ কিছু গান তৈরি আছে। সামনে এগুলো প্রকাশ করবো নির্দিষ্ট সময় পর পর।
আর কদিন আগেই ‘মনের ঘর’ শিরোনামের গান প্রকাশ হয়েছে আমার সিডি চয়েসের ব্যানারে। বেশ ভালো সাড়া মিলছে গানটি থেকে। আর সিনেমার গানের কি অবস্থা? ইমরানের উত্তর- সিনেমার গান দিয়েই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেলাম। এরইমধ্যে কয়েকটি নতুন সিনেমার গান করা আছে। সামনেও আরও কয়েকটি গানে কন্ঠ দেবো। আশা করছি ভালো কিছু পাবেন শ্রোতারা।