খেলাধুলা



খেলা ডেস্ক

জুলাই / ০৪ / ২০২৬


টাইব্রেকারে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে মিশরের ইতিহাস


109

Shares


শেষ ষোলোয় মিসরের অপেক্ষায়
মেসির আর্জেন্টিনা

ইতিহাসে নতুন অধ্যায়
যোগ করল ‘ফারাও’রা


বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়েছে মিসর। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে জিতে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার দেশটি। এখন শেষ ষোলোয় লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদের।

শুক্রবার টেক্সাসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে নির্ধারিত ৯০ মিনিট ও অতিরিক্ত ৩০ মিনিট মিলিয়ে ১২০ মিনিটের লড়াইয়ে ১-১ সমতা ছিল। এরপর টাইব্রেকারে জয়ের নায়ক হন হোসাম আবদেলমাগুইদ। তাঁর সফল স্পট কিকেই কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন জিইয়ে রাখে মিসর।

তবে শেষ ষোলোয় উঠতে হলে আগে আর্জেন্টিনাকে শেষ বত্রিশের ম্যাচে বিশ্বকাপে অভিষিক্ত কেপ ভার্দেকে হারাতে হবে। বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা জিতলে মিসরের প্রতিপক্ষ হবে লিওনেল মেসির দল।

শেষ ষোলো নিশ্চিত হওয়ায় উচ্ছ্বসিত মিসর। পুরুষদের বিশ্বকাপের ইতিহাসে এবারই প্রথম নকআউট পর্বে জয় পেল দলটি।

টাইব্রেকারের আগে শেষ মুহূর্তে অভিজ্ঞ গোলরক্ষক ম্যাথিউ রায়ানকে মাঠে নামান অস্ট্রেলিয়ার কোচ টনি পপোভিচ। তবে সেই কৌশল কাজে আসেনি।

মিসর সমর্থকদের গর্জনের মধ্যে অস্ট্রেলিয়ার প্রথম শটটি নেন ডিফেন্ডার হ্যারি সাউতার। কিন্তু তাঁর শট অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়। এরপর টানা পাঁচটি শট জালে জড়ায়, যার মধ্যে মিসরের অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহর স্পট কিক ছিল নিখুঁত। পরে ১৮ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার লুকাস হ্যারিংটনের শট ক্রসবারে লাগলে জয়ের পথ খুলে যায় মিসরের। শেষ শটটি সফলভাবে জালে পাঠিয়ে দলকে জয় এনে দেন আবদেলমাগুইদ। জয়ের পর আনন্দাশ্রু ঝরান সালাহ।

ম্যাচের ১৩তম মিনিটে করিম হাফেজের ক্রস থেকে হেডে গোল করে সাতবারের আফ্রিকান চ্যাম্পিয়ন মিসরকে এগিয়ে দেন এমাম আশুর।

গ্রুপ পর্বে মাত্র দুটি গোল করা অস্ট্রেলিয়াকে এরপর আক্রমণে নামতে হয়। তবে হ্যামস্ট্রিং চোট কাটিয়ে ফেরা সালাহ পুরো ম্যাচেই ছিলেন কিছুটা নিষ্প্রভ।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫৫তম মিনিটে সমতায় ফেরে অস্ট্রেলিয়া। প্রতিপক্ষের ফ্রি-কিক থেকে চাপে পড়ে নিজের জালেই বল জড়িয়ে দেন মিসরের ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি। এটি ছিল চলতি বিশ্বকাপে তাঁর দ্বিতীয় আত্মঘাতী গোল।

এরপর উভয় দলই বেশ কয়েকটি সুযোগ পেলেও গোলের দেখা মেলেনি। অতিরিক্ত সময়ের শুরুতে সালাহর একটি শট অনেক ওপর দিয়ে চলে যায়। ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।

টাইব্রেকারে অবশ্য ভুল করেননি লিভারপুলের সাবেক তারকা। তাঁর সফল স্পট কিকসহ ৪-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করে মিসর।

গ্রুপ পর্বে নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে ম্যাচ জিতেছিল মিসর। এবার নকআউট পর্বেও জয় পেয়ে ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করল ‘ফারাও’রা।


ওয়াইএফ/০১

খেলাধুলা