সিলেট প্রতিক্ষণ



নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই / ২০ / ২০২৬


বিএনপির সেই সভাপতির নিয়ন্ত্রণে ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর, আটকে দিয়েছেন এলসি পাথর


100

Shares


সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জ সদাপাথর কান্ডে পদ হারানো উপজেলা বিএনপি সভাপতি ও পাথর লুটের মামলার প্রধান আসামি সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে আবারো ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ উঠেছে। 

ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দর আমদানি কারক গ্রুপের সভাপতির অবৈধ প্রভাবের কারণে এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) করার পরও ভারত থেকে চুনাপাথর আমদানি করতে পারছেন না বলে অভিযোগ উঠেছে।  

এ ঘটনায় কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেটে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এক আমদানিকারক ব্যবসায়ী।

রবিবার (১৯ জুলাই) দেওয়া ওই অভিযোগে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চাটিবহর এলাকার ব্যবসায়ী মো. আব্দুল আল মামুন দাবি করেন, ‘তিনি দীর্ঘদিন ধরে বৈধভাবে এলসির মাধ্যমে ভ্যাট, আয়কর ও শুল্ক পরিশোধ করে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। কিন্তু গত ১৮ জুলাই তার পণ্য খালাসের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও ভোলাগঞ্জ সমিতির সভাপতি সাহাব উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম চক্র এলসি আটকে দেন।’ এতে তিনি আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি সরকারের রাজস্ব আদায়ও ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।

অভিযোগপত্রে তিনি বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তার এলসির পণ্য খালাস নিশ্চিত করার দাবি জানান।

প্রসঙ্গত, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাহাব উদ্দিন-এর আগে সিলেটের পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর এলাকায় পাথর লুটপাটের অভিযোগে দায়ের হওয়া একটি মামলার প্রধান আসামি হিসেবে আলোচনায় আসেন। ওই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে তিনি কারাগারেও ছিলেন। পরবর্তীতে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদও হারান।

তবে বর্তমান অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে সাহাব উদ্দিনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভোলাগঞ্জ স্থলবন্দরের রাজস্ব কর্মকর্তা ইয়াকুব জাহির বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। যেহেতু ভুক্তভোগী কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেট, সিলেটে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি তদন্ত করবেন। প্রয়োজন হলে আমরাও অভিযোগটি খতিয়ে দেখব।’


কেএ-০১/ওয়াইএফ-০২

সিলেট প্রতিক্ষণ