69
Sharesসিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেছেন, ‘জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগ জাতি কখনো ভুলবে না। তাদের রক্তের বিনিময়েই গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ সুগম হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের প্রতি সরকার অত্যন্ত সংবেদনশীল। তাদের কল্যাণ, পুনর্বাসন ও সম্মান নিশ্চিত করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।’
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ‘জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সিলেট জেলা প্রশাসনের আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিসিক প্রশাসক বলেন, ‘যারা দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন করেছেন এবং যারা জুলাই আন্দোলনে সরাসরি অংশ নিয়ে আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন, তাদের অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে আহতদের সুচিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং শহীদ পরিবারের সার্বিক কল্যাণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। রাষ্ট্র তাদের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।’ একই সঙ্গে তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস ও আত্মত্যাগের চেতনা তুলে ধরার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান বক্তার বক্তব্য দেন সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিলেট জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী, সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. এনামুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রাসেলুর রহমান, সিলেটের সিভিল সার্জন ডা. মো. নাসির উদ্দিন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. শামসুজ্জামান এবং সমাজসেবা অধিদপ্তর, সিলেটের উপপরিচালক মো. আব্দুর রফিক।
শহীদ পরিবারের পক্ষে বক্তব্য দেন শহীদ পাভেলের পিতা মো. রফিক উদ্দিন এবং শহীদ মিনহাজ আহমদের বড় ভাই সাঈদ আলমগীর। এছাড়া বক্তব্য দেন জুলাই যোদ্ধা সংসদ সিলেটের আহ্বায়ক লিটন আহমেদ এবং ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’র সদস্যসচিব আব্দুল মতিন।
এর আগে নবালে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর নেতৃত্বে নগরের রিকাবীবাজারে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা।
এ সময় সিসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাই রাফিন সরকার, সিসিকের সচিব মো. আশিক নূর, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মো. আলী আকবর, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ একলিম আবদীন, নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) লে. কর্নেল (অব.) মোহাম্মদ উল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
ওয়াইএফ/০৪