খেলাধুলা



ডেস্ক রিপোর্ট

ফেব্রুয়ারী / ২৪ / ২০২২


sylhet city

সুযোগ কাজে লাগিয়েছেন আফিফ


178

Shares

খাদের কিনারায় থাকা দলের হাল ধরলেন। দুই মাসিহা গল্পের মতো লিখলেন ইতিহাস। মেহেদী হাসান মিরাজ এবং আফিফ হোসেন ধ্রুব অবিশ্বাস্য সেই রেকর্ড গড়া জুটি এখনও স্বপ্ন মনে হতে পারে টাইগার সাপোর্টারদের।

কল্পনা মনে হলেও দুই ব্যাটারের চমকপ্রদ দুই ইনিংসে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে শুভ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচশেষে আফিফের কণ্ঠে ঝরলো একরাশ উচ্ছ্বাস। জানালেন, সুযোগ পেয়ে কাজে লাগিয়েছেন তিনি। বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে নৈপুণ্য দেখিয়ে সিনিয়র দলে সুযোগ পান আফিফ।

অলরাউন্ডার থেকে বনে যান পুরোদস্তুর ব্যাটার। তাও শুরুতে মেলে না সুযোগ। তাই মিডল অর্ডার আফিফের পক্ষে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ মেলে না সহজে। সেই সুযোগটা পেলেন আফগানদের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে। দলীয় ৪৫ রানের মধ্যে শীর্ষ ছয় ব্যাটারের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় বাংলাদেশ।

মনে হচ্ছিলো যেন আফগানদের জয়টা সময়ের ব্যবধান মাত্র। কিন্তু সপ্তম উইকেটে আফিফ-মিরাজের অবিচ্ছেদ্য ১৭৪ রানের জুটি অভাবনীয় জয় এনে দেয়। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে আফিফ বলেন, ‘দেশের জন্য ভালো খেলাটা সব সময় গর্বের বিষয়। চেষ্টা থাকে সর্বদা ভালো করার। কোনো সময় হয়, কোনো সময় হয় না। আজকে বড় একটা সুযোগ ছিল... এরকম বড় সুযোগ সবসময় পাওয়া যায় না।

সুযোগ পেয়ে সেটি কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছি।’ টাইগার ব্যাটারদের আসা-যাওয়ার খেলায় উইকেট না হারানোর পরিকল্পনা ছিল আফিফের। জয় নিয়ে নয়; বরং প্রত্যেকটা বল কীভাবে খেলা যায় সেদিকে লক্ষ্য ছিল আফিফের। তিনি বলেন, ‘আমি যখন ব্যাটিং করি আমার মাথায় এত পরিকল্পনা থাকে না।

আমি চিন্তা করি, প্রত্যেকটা বল কীভাবে খেলা যায়।’ আফিফ বলেন, ‘আমার কাছে আজকের (প্রথম ওয়ানডে) ইনিংসটা সেরা। বিশ্বমানের বোলারদের বিপক্ষে ব্যাট করতে হয়েছে। অনেক হিসেব করে তাদের খেলতে হয়। তখন পরিস্থিতি ছিল আমাকে মানিয়ে নিতে হবে।

সেই চেষ্টা করেছি আমি।’ চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আগে ব্যাটিং করে ৪৯.১ ওভারে ২১৫ রানে অলআউট হয় আফগানিস্তান। জবাবে ৭ বল বাকি রেখে জয় নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। আফিফ ৯৩ ও মিরাজ ৮১ রান নিয়ে অপরাজিত থাকেন।

খেলাধুলা