163
Shares‘কোচ বদলালেই রাতারাতি দলের অবস্থা পরিবর্তন সম্ভব নয়’Ñ রোনাল্ড কোম্যানের চাকরি হারানোর গুঞ্জনে কথাগুলো বলেছিলেন বার্সেলোনার মিডফিল্ডার ফ্রেংকি ডি ইয়ং। কোম্যান অধ্যায়ের পর ব্লাউগ্রানাদের ভাগ্য ফেরানোর দায়িত্ব বর্র্তায় জাভি হার্নান্দেজের কাঁধে। স্প্যানিশ কিংবদন্তির অধীনে রাতারাতি বদলে যায়নি কাতালান শিবির।
ইউরোপা লীগে অবনমন হওয়ার পর কোপা দেলরেতেও ব্যর্থতা সঙ্গী হয় বার্সার। দমে যাননি জাভি। কঠিন বাস্তবতা মেনে দল ভারি করতে থাকেন। একে একে এরিক গার্সিয়া, ফেরান তোরেস, দানি আলভেস, আদামা ত্রায়োর এবং পিয়েরে-এমেরিক অবামেয়াংদের ভেড়ান বার্সা শিবিরে। জাভির প্রচেষ্টা যে ফল দিচ্ছে, তা বোঝা যায় বার্সেলোনার সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে।
টানা তিন ম্যাচে ৪ বার করে প্রতিপক্ষের জাল ভেদ করেছে ডি ইয়ং-অবামেয়াংরা। লা লিগায় ভ্যালেন্সিয়াকে হারানোর পর ইউরোপা লীগে নাপোলিকে ৪-২ গোলে হারায় ব্লাউগ্রানারা। আর সবশেষ ম্যাচে অ্যাটলেটিক বিলবাওয়ের জালেও ৪ গোল দিয়েছে বার্সা। রোববার ন্যু-ক্যাম্পে লা লিগার ম্যাচটিতে ৪-০ গোলের বড় জয় পেয়েছে জাভির শিষ্যরা। প্রথমার্ধে দলকে এগিয়ে নেন বার্সেলোনার জার্সিতে দুর্দান্ত অবামেয়াং।
দ্বিতীয়ার্ধে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন ওসমান দেম্বেলে। আর শেষ মুহূর্তে একটি করে গোল করেন লুক ডি ইয়ং ও মেম্ফিস ডিপাই। ঘরের মাঠে গোটা ম্যাচেই ছিল বার্সেলোনার দাপট। ৭২ শতাংশ বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষের গোলবারের উদ্দেশ্যে মোট ১৭টি শট নেয় বার্সা। যার মধ্যে লক্ষ্যে ছিল ৭টি। অপরদিকে ২৮ শতাংশ বল দখলে রাখা বিলবাও ৬টি শটের ৩টি লক্ষ্যে রাখে।
বার্সেলোনা এগিয়ে যায় ৩৭তম মিনিটে। কর্নারে জেরার্ড পিকের হেড ক্রসবারে বাধা পাওয়ার পর ফিরতি বল দারুণ ভলিতে জালে পাঠান অবামেয়াং। দ্বিতীয়ার্ধেও অধিকাংশ সময় বল দখলে রাখার পাশাপাশি আক্রমণে চাপ ধরে রাখে বার্সেলোনা। কিন্তু বলার মতো সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না। অবশেষে ৬৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করে দলটি। ফেরানের তোরেসের বদলি নামার ছয় মিনিট পরই চমৎকার এক গোল করেন উসমান ডেম্বেলে।
ফ্রেংকি ডি ইয়ংয়ের পাস ধরে বাঁ দিক দিয়ে ডি-বক্সে ঢুকে বুলেট গতির শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ফরাসি ফরোয়ার্ড। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ডেম্বেলের ক্রসে লুক ডি ইয়ং হেডে ৩-০ করেন। আর যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে কাছ থেকে শেষ গোলটি করেন আরেক বদলি ফরোয়ার্ড মেম্ফিস।
এতে ২৫ ম্যাচে ১২ জয় ও ৯ ড্রয়ে ৪৫ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে বার্সেলোনা। এক ম্যাচ বেশি খেলা রিয়াল বেতিস তিন নম্বরে ৪৬ পয়েন্ট নিয়ে। ২৬ ম্যাচে ৬০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রিয়াল মাদ্রিদ।