দেশজুড়ে



ডেস্ক রিপোর্ট

মে / ২১ / ২০২২


Jagannathpur

জগন্নাথপুরে খাদ্য সংকটে বানভাসি মানুষ, তলিয়ে যাচ্ছে রাস্তা-ঘাট


172

Shares

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে কুশিয়ারাসহ শাখা নদনদীর পানি বিপদ সিমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।

বন্যার কবলে পড়ে উপজেলার পৌরসভা ও ৮টি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় তলিয়ে যাচ্ছে রাস্তাঘাট।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে গ্রামের রাস্তার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হয়ে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ রোড গুলোর জন সাধারনের বিকল্প রাস্তা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন। এছারাও রানীগঞ্জ ও চিলাউড়া-হলদিপুর ইউনিয়নের গ্রামীণ রাস্তার উপর দিয়ে বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

শনিবার (২১মে) সকাল থেকে বন্যার পানির স্রোত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিভিন্ন গ্রামে চলাচলের বাশেঁর সাঁকো তৈরী করছেন মানুষজন।রাস্তায় রাস্তায় বানের পানি মাড়িয়ে চলতে হচ্ছে সবাইকে। উপজেলার হাওরে গুলোতে থৈ থৈ করছে বানের পানি। বানের পানিতে ভেসে গেছে অসংখ্য ফিসারীর মাছ।

বসতঘর থেকে খড়ের ঘর গোয়াল ঘর সবখানে বানের পানি ঢুকে পড়েছে। হাওর এলাকার বসতবাড়ির তিল পরিমাণ জায়গা নেই, যেখানে বানের পানি প্রবেশ করেনি। অসংখ্য বাড়ির আঙিনায় ২ থেকে ৪ ফুট পানিতে তলিয়ে আছে। আবার কোনো কোনো বাড়ির উঁচু ভিটেমাটি ধুয়ে ফেলছে হাওরের উত্তাল ঢেউ।

গো খাদ্যের খড়ের গাদাগুলো পানিতে নিমজ্জিত থাকায় ভিজে পচন ধরেছে। গরুর খাবার সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছেনা। হাওরের উত্তাল ঢেউ থেকে বসত ভিটে রক্ষার জন্য বাঁশের খুঁটি পুঁতে বসবাস করছেন অনেকেই। গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে যাওয়ায় অনেক এলাকায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

হাওরের প্রত্যন্ত গ্রামগুলোতে শুকনো খাবারের সংকট দেখা দিয়েছে। বানবাসি লোকজনরা জানান, হাওর এলাকায় এখনো পৌঁছেনি পর্যাপ্ত পরিমাণ শুকনো খাবার ও ত্রাণ সামগ্রী। উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মো. সাজেদুল ইসলাম জানান, উপজেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি রয়েছে। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি আশ্রয় কেন্দ্রসহ দুর্গত এলাকায় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হবে।

দেশজুড়ে